১০ম গ্রেডে প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষকদের বেতন প্রসঙ্গে

মুন্নাফ হোসেন:

প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষকরা ১৪তম গ্রেডে বেতন পাচ্ছেন। ২০২০ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৩তম গ্রেড ঘোষণা করা হয়েছে। কিন্তু শিক্ষকেরা এখনো তা পাননি। আগে সহকারী শিক্ষকদের শিক্ষাগত যোগ্যতা ছিল পুরুষদের স্নাতক এবং নারীদের এসএসসি। নতুন নীতিমালায় সহকারী শিক্ষকদের নারী-পুরুষ উভয়ের জন্য দ্বিতীয় শ্রেণির স্নাতক করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১১ ফেব্রুয়ারি) ইত্তেফাক পত্রিকায় প্রকাশিত এক চিঠিতে এ তথ্য জানা যায়।

চিঠিতে আরও জানা যায়,  স্নাতক পাশরা দ্বিতীয় শ্রেণির ১০ম গ্রেড পাওয়ার যোগ্য। অথচ সহকারী শিক্ষকরা তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারী! নিম্ন মানের বেতনভাতার কারণে উচ্চশিক্ষিতরা শিক্ষকতা পেশায় আসতে চান না। দেশ এগিয়ে যাচ্ছে, কিন্তু শিক্ষকদের ভাগ্যের চাকা ঘুরছে না। প্রাথমিকের একজন প্রধানশিক্ষক শ্রেণিকক্ষে পাঠদানের পাশাপাশি সব প্রশাসনিক কাজ করেন। অথচ তাদের ১১তম গ্রেডে বেতন দেওয়া হয়। মাধ্যমিকের একজন সিনিয়র শিক্ষক ৯ম গ্রেডে বেতন পান আর প্রধানশিক্ষক বেতন পান ৭ম গ্রেডে। অথচ প্রাথমিক শিক্ষকদের বেলায় ঠনঠন। শিক্ষকতা সম্মানের পেশা কিন্তু তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারী—এ অভিশাপ থেকে প্রাথমিকের শিক্ষকরা মুক্তি চান।

যোগ্যতা অনুযায়ী সহকারী শিক্ষকদের ১০ম গ্রেড, প্রধানশিক্ষকদের ৯ম গ্রেড, সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার ৮ম এবং উপজেলা শিক্ষা অফিসারদের ৭ম গ্রেডে বেতন দেওয়া উচিত। মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে শিক্ষকদের বেতনভাতা বাড়ানো উচিত। যোগ্যতার মাপকাঠি সব স্তরে ঠিক রাখতে হবে, তবেই দেশ এগিয়ে যাবে। তাই প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষকদের ১০ম গ্রেড এবং প্রধানশিক্ষকদের ৯ম গ্রেডে বেতন প্রদানের জন্য সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

লেখক : মুন্নাফ হোসেন, সহকারী শিক্ষক, ধনবাড়ী, টাঙ্গাইল

Loading...
Share via
Copy link
Powered by Social Snap