সরকারি চাকরিজীবীদের পেনশন নিয়ে প্রজ্ঞাপন

নিউজ ডেস্ক:

সরকারি চাকরিজীবীদের অবসরোত্তর ছুটি (পিআরএল) এবং অবসর প্রস্তুতিমূলক ছুটি (এলপিআর) নিয়ে অধিকাংশ সময়ই বিভ্রান্তি দেখা দেয়। সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারীরা অবসরে যাওয়ার এক বছর আগে যান অবসর প্রস্তুতিমূলক ছুটিতে, যাকে বলা হয় এলপিআর। আর এলপিআর শেষ হওয়ার পর তারা যান অবসরে। এই অবসরের নামই অবসরোত্তর ছুটি (পিআরএল)।

তবে কেউ কেউ এলপিআরে থাকতেই পিআরএলে যান, সেক্ষেত্রে পেনশন, আর্থিক সুবিধা, অবসরের তারিখ, এলপিআর শুরুর তারিখ এবং চূড়ান্ত অবসর শুরুর তারিখ নিয়ে বিভ্রান্তি দেখা দেয়।

সে বিভ্রান্তি দূর করতে নতুন করে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ। রবিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) অর্থ বিভাগের প্রবিধি অনুবিভাগের সিনিয়র সহকারী সচিব খালেদা নাছরিন স্বাক্ষরিত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

এ সংক্রান্ত একটি উদাহরণ উপস্থাপন করে প্রজ্ঞাপনে বোঝানো হয়েছে যে, জনাব ‘ক’ এর অবসরে যাওয়ার বয়সপূর্তি হবে ২০২০ সালের ৩১ ডিসেম্বর এবং সেদিন অপরাহ্ণে তিনি অবসর গ্রহণ করবেন। ছুটি পাওনা সাপেক্ষে ‘ক’ এর পিআরএল শুরু হবে অবসরে যাওয়ার পরদিন, অর্থাৎ ২০২১ সালের ১ জানুয়ারি থেকে।

‘ক’ ১২ মাস পিআরএল ভোগ করলে তার ছুটি শেষ হবে ২০২১ সালের ৩১ ডিসেম্বর এবং তার চূড়ান্ত অবসরে যাওয়ার তারিখ হবে ২০২২ সালের ১ জানুয়ারি। তবে পিআরএল ভোগ না করলে ‘ক’ এর চূড়ান্ত অবসরে যাওয়ার তারিখ হবে ২০২০ সালের ৩১ ডিসেম্বর।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, এলপিআরকে পিআরএলে রূপান্তর করলে পিআরএলকাল পেনশনযোগ্য চাকরি হিসেবে গণনাযোগ্য হবে না। তবে ওই সরকারি কর্মচারী এলপিআরে থাকার সময় যেসব সুযোগ-সুবিধা পাওয়ার যোগ্য, পিআরএলে গেলেও সেগুলো বহাল থাকবে।

Loading...
Share via
Copy link
Powered by Social Snap