রাজধানী জুড়ে বাড়তি নিরাপত্তা, চলছে তল্লাশি

নিউজ ডেস্ক:

করোনা পরিস্থিতির কারণে এবার ভিন্ন প্রেক্ষাপটে উদযাপিত হবে নতুন বছর। এ বছর উদযাপনে থাকছে না কোনো আনুষ্ঠানিকতা। থাকছে না কোনো উন্মুক্ত স্থানে কোনো আয়োজন। থার্টিফার্স্ট নাইটকে কেন্দ্র করে অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে রাজধানীর নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।

এজন্য ডিএমপিতে ১০ হাজার সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। এছাড়া সাদা পোশাকে গোয়েন্দা পুলিশের সদস্যরা বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ও এলাকায় নজরদারি করছেন। নিরাপত্তা বলয় তৈরি করা হয়েছে গুলশান-বনানী-বারিধারা এলাকায়। থার্টিফার্স্টের রাতে ওই এলাকায় বহিরাগত কাউকে ঢুকতে দেয়া হবে না। ডিএমপি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সরেজমিন দেখা গেছে, অভিজাত এলাকা গুলশান বনানী বারিধারায় প্রবেশে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিরাপত্তা তল্লাশি করছে। অনেককেই মুখোমুখি হতে হচ্ছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের নানা প্রশ্নের। দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, অভিজাত এলাকায় কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা যেন না ঘটে সেজন্য প্রবেশমুখগুলোতে তল্লাশি বাড়ানো হয়েছে।

র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আশিক বিল্লাহ বলেন, ‘থার্টিফার্স্ট নাইটে জনসমাগম না করে নিজ নিজ অবস্থান থেকে করাই ভালো। ত্রিমাত্রিকভাবে নজরদারি রাখা হচ্ছে। সাদা পোশাকে নজরদারি, পোশাকধারী টহল, সেই সঙ্গে সামাজিক মাধ্যমগুলোতে অপপ্রচার রোধে সাইবার মনিটরিংও থাকবে। নগরজুড়ে থাকবে বিপুল সংখ্যক নারী পুলিশ। থার্টিফার্স্ট নাইটে দুর্ঘটনা এড়াতে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় যানবাহন চলাচলে নিয়ন্ত্রণ করা হবে। কেউ যাতে মদ্যপান করে অতিরিক্ত গতিতে গাড়ি চালিয়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারে সেসব বিষয়েও থাকবে কঠোর নজরদারি।

গুলশান বিভাগের ডিসি সুদীপ কুমার চক্রবর্তী জানান, আজ রাত ৮টা থেকে গুলশান-বারিধারা-বনানী এলাকায় প্রবেশের জন্য আমতলী ও বনানী ২৭ নম্বর সড়ক খোলা রেখে বাকি সব সড়ক বন্ধ রাখা হবে। সবকিছু কঠোরভাবে মনিটর করা হচ্ছে। রাতভর সাদা পোশাকে পুলিশের পাশাপাশি স্ট্যান্ডবাই থাকবে বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট, সোয়াত টিম, বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সদস্য, সুউচ্চ ভবনগুলো থেকে নজরদারি থাকবে, মোবাইল পেট্রোলিং, হোটেল কেন্দ্রিক বিশেষ ডিপ্লোয়েমেন্ট থাকবে। এছাড়া, কূটনৈতিক পাড়ায় থাকবে বিশেষ নিরাপত্তা।

ঢাকা মহানগর পুলিশের একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা জানান, ডিএমপির ডিপ্লোম্যাটিক সিকিউরিটি ডিভিশন সন্ধ্যা ৬টার পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় বসবাসকারী বাসিন্দা ছাড়া বহিরাগতদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়েছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক একেএম গোলাম রাব্বানী সাংবাদিকদের বলেন, ‘করোনাভাইরাসের কারণে হলগুলো বন্ধ, সে কারণে আমরা চাইবো ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের কম পদচারণা থাকবে। কোনো বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া কাউকে ক্যাম্পাসে প্রবেশাধিকার দেয়া হবে না।’

Loading...
Share via
Copy link
Powered by Social Snap