ভারতীয় যুবককে খাটের সঙ্গে বেঁধে বেধড়ক পেটায় তারপর ইলেকট্রিক শক দেয় চীনা সেনারা

অনলাইন ডেস্ক:

প্রথমে খাটের সঙ্গে বেঁধে রেখে বেধড়ক মার, তারপর চেয়ারে বসিয়ে ইলেকট্রিক শক। এভাবেই চীনা সেনারা অত্যাচার চালিয়েছিল অরুণাচল প্রদেশের যুবক টোগলে সিংকামের উপর।

২১ বছরের টোগলে সিংকাম জানান, ১৯ মার্চ আপার সুবর্ণসিড়ি এলাকায় শিকার করার সময় লালফৌজের হাতে পড়ে গিয়েছিলেন। চীনের সঙ্গে আলোচনা করে টোগলে সিংকামকে ভারতে ফেরাত আনতে ১৫ দিন সময় লাগে ভারতীয় সেনাদের। সেই দিনগুলো যে কীভাবে কেটেছে তা এখনও ভাবলেও শিউরে ওঠেন টোগলে।

ভুল করে সীমান্ত পেরিয়ে চীনের এলাকায় চলে যাওয়া অরুণাচলের পাঁচ যুবককে গত সপ্তাহে ফিরিয়ে দিয়েছে চীন। সেই প্রসঙ্গেই নিজের অভিজ্ঞতার কথা ভাগ করে নিলেন ওই এলাকারই বাসিন্দা এই যুবক। টোগলের দাবি করে বলেন, তাকে চীনা সেনা অপহরণ করে নিয়ে গিয়েছিল। মুখে কাপড় বেঁধে একাধিক জায়গায় নিয়ে গিয়ে মারধর করে। তবে সব থেকে দুর্বিষহ ছিল শেষের কয়েক দিন। টোগলের কথায়, একটি ঘুটঘুটে অন্ধকার ঘরে চেয়ারে বসিয়ে রাখা হত। দড়ি দিয়ে হাত-পা বাঁধা। দিনভর লাঠি-রড দিয়ে মারধর। দু’চোখের পাতা বন্ধ হলেই ইলেকট্রিক শক।

এই অত্যাচারের কারণ কী? যুবকের বক্তব্য তাকে দিয়ে বলানোর চেষ্টা চলছিল যে তিনি ভারতীয় গুপ্তচর। সীমান্তে ভারতের এলাকা কোন জায়গা থেকে সেটা চিহ্নিত করার জন্য স্থানীয়রা যে বোর্ড লাগান তাতে টোগলের ভূমিকা কী সেটা বোঝার চেষ্টা করছিল চীন সেনারা। ওই বোর্ডের সঙ্গে তার হাতের লেখা মিলিয়ে দেখা হয় বলেও তার দাবি। টোগলের কথায় ভারতীয় সেনারা সময়মতো পদক্ষেপ না নিলে জীবন নিয়ে ফেরত আসা সম্ভব ছিল না।

Leave A Reply

Your email address will not be published.

Share via
Copy link
Powered by Social Snap