বয়স ৫০-এর কোটা পেরিয়েছে? এই খাবারগুলো মিস করবেন না

টাইমস অফ ইন্ডিয়া:
জীবনে সফল হতে গেলে সুস্থ শরীর আর সতেজ মনের বিশেষ প্রয়োজন। আসলে সফল হতে গেলে বয়সটা কোনো ফ্যাক্টরই নয়। বয়স যখন ঘোড়ার পিঠে চরে বাড়তেই থাকে, তখন কতগুলি খাবারের সঙ্গে বন্ধুত্ব পাতিয়ে ফেলাটা একান্ত প্রয়োজন। না হলে শরীর ভাঙতে শুরু করে। তাই আপনিও যদি হাফ সেঞ্চুরি করে থাকেন, তাহলে একবার নিজের কথা ভেবে জেনে নিন। দেখবেন উপকার পাবেন।
আসলে আমাদের শরীরকে সচল রাখতে প্রতিদিন বেশ কিছু পুষ্টির প্রয়োজন পরে। আর সেই পুষ্টিকর উপাদানগুলির যোগান দেয় খাবার। সেই সঙ্গে ব্লাড প্রেসার, সুগার-সহ একাধিক রোগকে দূরে রাখতেও বিশেষভাবে সাহায্য করে। তাই তো শরীর ভালো রাখতে খাবারের ওপর এতটা গুরুত্ব দেওয়া হয়। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কিছু খাবারকে এড়িয়ে চলতে হবে। এক্ষেত্রে প্রথমেই লবণ খাওয়ার ওপর নিয়ন্ত্রণ আনতে হবে। সেই সঙ্গে মিষ্টি জাতীয় খাবার এবং রেড মিটকে না বললেই ভালো।
টক দই
এতে রয়েছে প্রচুর মাত্রায় ক্যালসিয়াম, যা শরীরের এই খনিজটির ঘাটতি পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। প্রসঙ্গত, এই খনিজটি আমাদের হাড়ের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটায়। ফলে বয়সকালে নানাবিধ হাড়ের রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা কমে।
সবুজ শাক-সবজি
বয়স ৫০ পরলেই শরীরের রোজ ১২০০-২৫০০ এম জি ক্যালসিয়ামের প্রয়োজন পরে। তাই তো রোজের ডায়েটে সবুজ শাক-সবজি রাখাটা মাস্ট! কারণ সবজি এই পরিমাণ ক্যালসিয়ামের ঘাটতি মেটাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।
ছোট মাছ
শুধু ৫০ বছর বয়সিদের জন্যই নয়, আট থেকে আশি যেকোনো বয়সিদের ক্ষেত্রেই এই ছোট মাছ খাওয়া উপকারি। আসলে চোট মাছে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম রয়েছে। তাই তো বয়স হলে প্রতিদিন এই ধরনের মাছ খাওয়ার পরমার্শ দেন চিকিৎসকেরা।
লিভার
মেটেতে প্রায় ২৩ এম জি মতো আয়রন থাকে, যা এই বয়সে শরীরকে চাঙ্গা রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। তাই তো ৫০-এর পর এই খাবারটি প্রায় প্রতিদিন নিয়ম করে খেতে হবে।
ব্রকলি
এটি একটি ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ সবজি। প্রতিদিন প্রায় ১২০০ এম জি ক্যালসিয়ামের প্রয়োজন পরে ৫০ বছর বয়সিদের, যা পূরণে ব্রকলি সাহায্য করে।
বিনস
বয়স কালে সুস্থ রাখতে আয়রন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। তাই এই সময় প্রতিদিন বিনস খাওয়ার পরামর্শ দেন চিকিৎসকরা। কারণ এতে রয়েছে প্রায় ৩.৭ এম জি আয়রন, যা নানাভাবে শরীরকে চাঙ্গা রাখে।
ডিম
ডিমের উপকারিতা কথা বলে শেষ করা যাবে না। কেন জানেন? কারণ ডিম খেলে মাথার চুল থেকে পায়ের পাতা পর্যন্ত শরীরের প্রতিটি অঙ্গ সবল হয়ে ওঠে। তাই তো প্রবীণদের খাবার তালিকায় ডিমকে একেবারে উপরের দিকে রাখা হয়। প্রসঙ্গত, ডিমে প্রায় ১৩ গ্রাম পোটিন রয়েছে, যা প্রতিদিনের প্রোটিনের চাহিদা মেটাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।
গাজর
গাজরে প্রচুর ভিটামিন এ পাওয়া যায়। গাজরের মধ্যে থাকে বেটা ক্যারোটিন এবং ক্যারোটিনয়েডস, যা সূর্যের ক্ষতিকারক রশ্মি থেকে বাঁচাতে পারে। শরীরের সুস্বাস্থ্য বজায় রাখার জন্য, চোখ এবং চুলের ক্ষেত্রে গাজরের ভূমিকা রয়েছে। কারণ এতে রয়েছে ১০০ গ্রাম ভিটামিন-এ। এই পরিমাণ ভিটামিন-এ আপনার শরীরে প্রবেশ করলে কোনো রোগই আপনাকে ছুঁতে পারবে না। তাই প্রতিদিন একটা করে গাজর খাওয়া মাস্ট!
Loading...
Share via
Copy link
Powered by Social Snap