নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীতে প্রকাশ্যে সিল মারা ও ব্যালট ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ

নিউজ ডেস্ক:

নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী পৌরসভায় আজ রোববার সকাল ১০টার দিকে একটি কেন্দ্রে প্রকাশ্যে সিল মারার ঘটনাকে কেন্দ্র করে নৌকা, ধানের শীষ ও কাউন্সিলর প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে হট্টগোল দেখা দেয়। এ সময় লাইনে দাঁড়ানো অনেক নারী ভোটারকে ভোট না দিয়ে বাড়ি ফিরে যেতে দেখা গেছে। পরে উপস্থিত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে বিজিবি সদস্যরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।

আজ নোয়াখালীর দুটি উপজেলায় ভোট গ্রহণ চলছে। এর মধ্যে সোনাইমুড়ী পৌরসভার ভোট গ্রহণ হচ্ছে ব্যালটে এবং চাটখিল পৌরসভায় ভোট গ্রহণ হচ্ছে ইভিএম মেশিনে। সকাল আটটায় ভোট শুরু হওয়ার আগেই প্রতিটি কেন্দ্রে ভোটারদের ব্যাপক উপস্থিতি চোখে পড়ে। এর মধ্যে নারী ভোটারদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো।

সকাল নয়টার দিকে সোনাইমুড়ীর আল হেলাল কিন্ডারগার্টেন কেন্দ্রে গিয়ে দেখা যায়, সেখানে নারী ভোটারদের উপচে পড়া ভিড়। কেন্দ্রের ভেতর স্থান সংকুলান না হওয়ায় অনেক ভোটারকে ভোট দিতে রাস্তায় লাইনে দাঁড়াতে হয়েছে।

এই কেন্দ্রের প্রিসাইডিং কর্মকর্তা মনিরুল হক প্রথম আলোকে বলেন, এখানে মোট ভোটার সংখ্যা ২ হাজার ৪৯৪। বুথের সংখ্যা ৬। সকাল ৯টা পর্যন্ত এই কেন্দ্রে ৩০০টি ভোট পড়েছে।

সকাল ১০টায় এই কেন্দ্রে প্রকাশ্যে সিল মারার ঘটনাকে কেন্দ্র করে নৌকা, ধানের শীষ ও কাউন্সিলর প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে হট্টগোল দেখা দেয়। এই কেন্দ্র থেকে ভোট দিয়ে বের হওয়া বেশ কয়েকজন নারী ভোটার অভিযোগ করেছেন, বুথের ভেতর তাঁদের কাছ থেকে ব্যালট ছিনিয়ে নিয়ে নৌকা প্রতীকে সিল মারা হয়েছে।

এ ছাড়া সকালে সোনাইমুড়ী পৌরসভার কৌশল্লার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে জাল ভোট দেওয়ার সময় এক যুবককে হাতেনাতে আটক করেন কেন্দ্রে উপস্থিত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট। তবে তাঁর নাম জানা যায়নি।

রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ রবিউল আলম বলেন, শান্তিপূর্ণ পরিবেশে নোয়াখালীর চাটখিল ও সোনাইমুড়ী পৌরসভা নির্বাচনের ভোট গ্রহণ শুরু হয়েছে। সকাল থেকে প্রতিটি কেন্দ্রে ভোটারদের ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ করা গেছে। সকাল সাড়ে ১০টা পর্যন্ত কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।

Loading...
Share via
Copy link
Powered by Social Snap