গণহত্যা’র কথা স্বীকার করা দুই সেনাসদস্যকে ফেরত চায় মিয়ানমার

অনলাইন ডেস্ক:

রোহিঙ্গাদের ওপর গণহত্যার অভিযোগ স্বীকার করা দুই সেনাসদস্যকে ফেরত চেয়েছে মিয়ানমারের সামরিক কর্তৃপক্ষ। মাইয়ো উইন তুন ও জো নাইং তুং নামের ওই দুই সেনাসদস্য এখন নেদারল্যান্ডসের দ্য হেগের আন্তর্জাতিক আদালতের হেফাজতে রয়েছেন। খবর দ্য ইরাবতীর।

আরাকান আর্মি (এএ)-র কাস্টডি থাকা অবস্থায় গত সপ্তাহে ওই দুই সেনা এই স্বীকারোক্তি দেয়। সেখানে তারা ২০১৭ সালে সেনবাহিনীর ‘ক্লিয়ারেন্স অপারেশনের’ সময় রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে বর্বরতা কথা স্বীকার করেন।

আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা ফর্টিফাই রাইটস ওই দুই সেনার স্বীকারোক্তিমূলক ভিডিও প্রকাশ্যে আনে। সংস্থাটি জানিয়েছে, ওই দুই সেনা এখন দ্য হেগে রয়েছে। তাদেরকে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি)-র কাস্টডিতে নেয়া হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

তাদের ফেরত দেয়ার জন্য যুক্তি হিসেবে মিয়ানমার সামরিক বাহিনীর মুখপাত্র মেজর জেনারেল জাও মিন তুন বলেছেন, মিয়ানমারে স্বাধীন বিচার বিভাগ রয়েছে এবং বিচার বিভাগ তাদের স্বাভাবিক কার্যক্রম চালাচ্ছে, সেহেতু পলাতক ওই সেনাদের বিচার মিয়ানমারেই হওয়া উচিত। আন্তর্জাতিক আদালতে তাদের তোলা মানে মিয়ানমারের বিচার বিভাগের স্বাধীনতার ওপর অযাচিত হস্তক্ষেপ। তাছাড়া এটা আন্তর্জাতিক আইনেরও পরিপন্থী।

ইরাবতীকে দেয়া সাক্ষাৎকারে ওই মুখপাত্র বলেন, ওই দুই সেনা সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং সেখানে পাঠানো হয়েছে। সুতরাং  তাদের ফেরত পাঠানো উচিত।

তিনি বলেন, মিয়ানমারের আদালতে রাখাইন প্রদেশে সংঘটিত বর্বরতার তদন্ত শুরু হয়েছে। সেখানে মানবাধিকার লঙ্ঘনের কোনও প্রমাণ কারও কাছে থাকলে তা ইমেইল, টেলিফোন বা পোস্টের মাধ্যমে পাঠানোরও আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

Leave A Reply

Your email address will not be published.

Share via
Copy link
Powered by Social Snap