করোনায় সেবাদানকারী স্বাস্থ্যকর্মীদের জন্য ভাতাসহ নতুন নিয়ম

কোভিড-১৯ চিকিৎসার সঙ্গে সম্পৃক্ত সরকারি চিকিৎসক, নার্স ও অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মীরা সাধারণভাবে একাধারে ১৫ দিনের বেশি দায়িত্ব পালন করবেন না। প্রতি মাসে ১৫ দিন দায়িত্ব পালন শেষে পরবর্তী ১৫ দিন তারা সঙ্গনিরোধ ছুটিতে থাকবেন। চিকিৎসক ও অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মীরা ১৫ দিন কর্মকালীন পৃথক অবস্থানের জন্য বিশেষ ভাতা ও খাবারসহ আবাসনের সুবিধা পাবেন।

২৯ জুলাই স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব আব্দুল মান্নান স্বাক্ষরিত এক পরিপত্রে এ তথ্য জানানো হয়।

কোভিড-১৯ চিকিৎসার সঙ্গে সম্পৃক্ত ঢাকা মহানগরীর চিকিৎসকরা দৈনিক দুই হাজার ও ঢাকার বাইরের চিকিৎসকেরা এক হাজার ৮০০ টাকা করে ভাতা পাবেন। এছাড়া ঢাকার নার্সরা এক হাজার ২০০ ও ঢাকার বাইরের নার্সরা এক হাজার এবং ঢাকার অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মীরা ৮০০ ও ঢাকার বাইরের ৬৫০ টাকা করে দৈনিক ভাতা পাবেন। কেউ এক মাসে ১৫ দিনের বেশি ভাতা পাবেন না। প্রাপ্যতা অনুসারে ওই বিশেষ ভাতা ভ্রমণ ও দৈনিক ভাতা আহরণের পদ্ধতিতে উত্তোলন করতে পারবেন।

পরিপত্রে বলা হয়, ঢাকা মহানগরের চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীরা ১৫ দিন কর্মকালীন পৃথক অবস্থানের জন্য বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস অ্যাকাডেমি (BCSAA), বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ ম্যানেজমেন্ট (BIAM), জাতীয় পরিকল্পনা ও উন্নয়ন অ্যাকাডেমি (NAPD), ন্যাশনাল অ্যাকাডেমি অব এডুকেশনাল ম্যানেজমেন্ট (NAEM), টিচার্স ট্রেনিং কলেজ (TTC) ও জাতীয় স্থানীয় সরকার ইনস্টিটিউট (NILG) -এ অবস্থান করতে পারবেন।

আর ঢাকা মহানগরের বাইরে সব জেলা ও উপজেলার ক্ষেত্রে স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করে সেখানে অবস্থিত বিভিন্ন সরকারি ও প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানে তাদের জন্য এমন ব্যবস্থা করা হবে।

চিকিৎসক, নার্স ও অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মী যারা কর্তৃপক্ষের নির্ধারণ করা স্থাপনায় অবস্থান করবেন তাদের যাতায়াতের জন্য আবশ্যিকভাবে (প্রাপ্যতা সাপেক্ষে) বিআরটিসির যানবাহন ব্যবহার করতে হবে এবং এরূপ ক্ষেত্রে যানবাহনের ভাড়া পরিশোধের জন্য বিআরটিসির কাছ থেকে প্রাপ্ত বিলের ভিত্তিতে বরাদ্দ দাবি করতে হবে। যেখানে বিআরটিসির যানবাহন নেই সেখানে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে রিকুইজিশনকৃত অথবা ভাড়ায় যানবাহন ব্যবহার করা যেতে পারে।

এতে বলা হয়, স্বাস্থ্য অধিদফতর ত্রৈমাসিক ভিত্তিতে দৈনিক ভাতা হিসেবে সরকারের কাছে বরাদ্দ দাবি করবে। বরাদ্দকৃত অর্থ থেকে আবাসিক সুবিধা গ্রহণ না করে দৈনিক ভাতা গ্রহণকারীদের পরিশোধিত অর্থ বাদ দিয়ে বাকি অর্থ দিয়ে বিভিন্ন আবাসিক স্থাপনা কর্তৃপক্ষ ও যানবাহনের জন্য দাবিকৃত অর্থ পরিশোধ সম্ভব না হলে প্রকৃত খরচের হিসাবসহ অতিরিক্ত প্রয়োজনীয় বরাদ্দ দাবি করা যাবে।

Leave A Reply

Your email address will not be published.

Share via
Copy link
Powered by Social Snap