অ্যাপে এলএসডি মাদক বেচাকেনা, জড়িত বিদেশে পড়ুয়া তরুণরা

Share This:

Bangla Times News Desk:

মোবাইল অ্যাপে যোগাযোগ, পরে আর্ন্তজাতিক চক্রের মাধ্যমে দেশে আনা হতো এলএসডি। লেনদেন হতো পে-প্যালে। আর এর পেছনে আছেন মূলত বিদেশে পড়াশোনা করে আসা উচ্চবিত্তের তরুণেরা। বিক্রিতেও জড়িতে তাদের অনেকে।

দুই হাজার উনিশ সালে দেশে প্রথম লাইসার্জিক অ্যাসিড ডাইইথ্যালামাইড-এলএসডির খোঁজ পায় মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর।মহাখালী ডিওএইচএসের ২৫০ নম্বর বাড়ি থেকে আটক হন দুই অভিযুক্ত। পরে আদালতে দায় স্বীকার করে জবানবন্দিও দেন তারা।

মামলার এজাহার বলছে, কানাডায় পড়তে যাওয়ার সুবাদে সেখানকার মাদক ব্যবসায়ীদের সঙ্গে যোগাযোগ হয় ইয়াসের রিদওয়ান আনান ও সৈয়দ আহনাফ আতিফ মাহমুদের। দেশে ফিরে একটি মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে যোগাযোগ করে দেশে আনেন এলএসডি।

ভয়ানক এই মাদক রাজধানীর গুলশান, বনানীর মতো অভিজাত এলাকায় বিক্রি করতো চক্রটি। তাদের টার্গেট ছিল ধনীর ছেলেমেয়েরা।
গত সপ্তাহেও আরেক দফায় এলএসডি জব্দ করেন গোয়েন্দারা। তারা বলছেন, এক ধরণের মেকি স্মার্টনেসের কথা ভেবে এ মাদকে ঝুঁকছে উচ্চবিত্তের তরুণ-তরুণীরা। অভিযানের পরও, এ্লএসডির জন্য নানা ফেসবুক ঘুরছেন আসক্তরা।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর প্রধানের দাবি, বিদেশ থেকে মাদক আনা বন্ধে গঠন করতে হবে সাইবার ইউনিট। উচ্চমূল্যের ভয়ানক এই মাদক ব্যবহার কমাতে বিদেশে পড়াশোনা করে ফেরা শিক্ষার্থীদের দিকে অভিভাবকদের আরও মনোযোগী হওয়ার পরামর্শ দিচ্ছে অধিদপ্তর কর্মকর্তারা।

১৫ মে নিহত হওয়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র হাফিজুর রহমানের মৃত্যুর ঘটনা তদন্ত করতে গিয়ে এলএসডির সন্ধান পায় গোয়েন্দা বিভাগ। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন ছাত্রকে গ্রেপ্তার করে তারা।

ডিবি জানায়, হাফিজুরকে তার বন্ধুরা এলএসডি সেবন করানোর পর তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের প্রশাসনিক ভবনের সামনে এক ডাব বিক্রেতার দা কেড়ে নিয়ে নিজের গলায় চালিয়ে দেন। এর কয়েক ঘণ্টা পর তার মৃত্যু হয়। ডিবির এই বক্তব্যের পর এলএসডি নতুন করে আলোচনায় আসে।

Loading...